Breaking







Tuesday, 6 January 2026

January 06, 2026

প্রাক প্রাথমিক শ্রেণীর বই PDF | West Bengal Board Pre Primary Book

প্রাক্‌ প্রাথমিক শ্রেণীর বই PDF | West Bengal Board Pre Primary Book PDF 

প্রাক প্রাথমিক শ্রেণীর বই PDF | West Bengal Board Pre Primary Book
প্রাক প্রাথমিক শ্রেণীর বই PDF | West Bengal Board Pre Primary Book

সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আজ পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক প্রাথমিক শ্রেণীর বই PDF শেয়ার করলাম। যেটিতে প্রাক্‌ প্রাথমিক শ্রেণীর কুটুম কাটাম এবং মজারু পাঠ্য বই এর পিডিএফ লিঙ্ক দেওয়া আছে। নীচ থেকে বইগুলির পিডিএফ ফাইলগুলি সংগ্রহ করে নিন।

 

WB Pre Primary Book PDF 


NAME BOOK
Kutum Katam Download
Mojaru Download

 

Also Check::


প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত সমস্ত পাঠ্য বই 


Monday, 5 January 2026

January 05, 2026

West Bengal Class One to Five All Text Book PDF

প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত সমস্ত পাঠ্য বই PDF | West Bengal Board Textbooks for Classes 1 to 5

West Bengal Class One to Five All Text Book PDF
West Bengal Class One to Five All Text Book PDF

সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আজ আপনাদের প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত সমস্ত পাঠ্য বই এর পিডিএফ প্রদান করলাম। বইগুলি ডিএড ও বিএড কোর্সে এবং প্রাইমারি টেট পরীক্ষার প্রস্তুতিতে ভীষণভাবে সাহায্য করবে। সুতরাং সময় অপচয় না করে নীচে দেওয়া লিঙ্ক থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বইগুলি সংগ্রহ করে নিন।


West Bengal Board Class 1 Books


West Bengal Board Class 2 Books


West Bengal Board Class 3 Books


West Bengal Board Class 4 Books


West Bengal Board Class 5 Books

Monday, 25 July 2022

July 25, 2022

ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক অধিকার | ভারতের সংবিধান

ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক অধিকার | ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক অধিকার গুলির বর্ণনা দাও।

ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক অধিকার | ভারতের সংবিধান
ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক অধিকার | ভারতের সংবিধান
✍️ কলম 
সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আজকের পোস্টে ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক অধিকার সম্পর্কে আলোচনা করলাম। যেটির মধ্যে ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক অধিকার সমূহ সম্পর্কে খুব সুন্দরভাবে আলোচনা করা আছে। সুতরাং সময় অপচয় না করে পোস্টটি ভালো করে দেখে নাও।

১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দের ১৫ই আগস্ট ভারতবর্ষ স্বাধীনতা লাভ করে। ভারতবর্ষকে স্বাধীন ,সুগঠিত এবং সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনার লক্ষে ভারতবর্ষে সংবিধান রচনা করার প্রয়োজন হয়ে পড়ে, এ উদ্দ্যেশে ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দের গণপরিষদ গঠনের প্রায় তিন বছর আলাপ-আলোচনার পর ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দের ২৬শে নভেম্বর গণপরিষদে খসড়া সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের ২৬শে জানুয়ারি থেকে নতুন সংবিধান কার্যকর হয়। মূল সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা, ৩৯টি ধারা এবং ৮টি তফশিল ছিল। ৯৮বার সংবিধান সংশোধনের ফলে বর্তমানে প্রায় ৪৪৮টি ধারা, অনেক উপধারা এবং ১২টি তফশিল আছে।

■ ভারতীয় নাগরিকের মৌলিক অধিকারঃ 
সংবিধানের সর্বপ্রধান লক্ষ্য ছিল স্বাধীন ভারতের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানোর পাশাপাশি ভারতবর্ষকে বিশ্বের দরবারে এক স্বাধীন, গণতান্ত্রিক, সার্বভৌম, ধর্মনিরপেক্ষ, প্রজাতন্ত্রী দেশ হিসাবে গড়ে তোলা। এছাড়া সামাজিক ক্ষেত্রে  ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি তপশিলি জাতি, উপজাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর জাতির ক্ষেত্রে বিশেষ সংরক্ষণের ব্যবস্থা, শিশু ও নারীকল্যাণ, অস্পৃশ্যতা বিলোপ ইত্যাদি বিষয় গুলি সংবিধানে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। এই বিষয়গুলি লক্ষ্য রেখে নাগরিকদের অধিকারগুলির মধ্যে যেগুলি  ব্যক্তিত্বের বিকাশের জন্য অপরিহার্য তাই একাধারে মৌলিক অধিকারের স্থান দেওয়া হয়েছে।
       
ভারতীয় নাগরিকদের মৌলিক অধিকার গুলি বর্তমানে ভারতীয় সংবিধানের ১৪-৩০,৩২ ও ২২৬ নং ধারায় লিপিবদ্ধ রয়েছে।

■ মৌলিক অধিকার সমূহঃ

(১) সাম্যের অধিকার [১৪-১৮নং ধারা] :: 
সাম্যের অধিকার বলতে আর্থিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে।রাষ্ট্রে কোনো নাগরিকের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করবে না।
  
(২) স্বাধীনতার অধিকার [১৯-২২নং ধারা] :: 
নাগরিকদের স্বাধীনতার অধিকার বলতে- বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা,শান্তিপূর্ণ ও নিরস্থভাবে সমবেত হওয়ার স্বাধীনতা,সংঘ বা সমিতি গঠনের স্বাধীনতা, ভারতের সর্বত্র চলাফেরার স্বাধীনতা,ভারতীয় ভূখণ্ডের যেকোনো অংশে বসবাসের স্বাধীনতা,এবং যে কোনো জীবিকা-পেশা বা ব্যবসা বাণিজ্য করার স্বাধীনতা সুযোগ থাকবে।
   
(৩) শোষণের বিরুদ্ধে অধিকার [২৩-২৪ নং ধারা] ::
এই অধিকার বলে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের শোষণ থেকে সাধারণ নাগরিকদের মুক্ত রাখার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে যেভাবে তা হল- কোনো ব্যক্তিকে ক্রয়-বিক্রয় করা বা বেগার খাটানো যাবে না, চোদ্দো বছরের কম বয়স্ক শিশুদের খনি,কারখানা বা অন্য কোনো বিপদজ্জনক  কাজে নিযুক্ত করা যাবে না।
   
(৪) ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার [২৫-২৮ নং ধারা] :: 
ভারতবর্ষ বহুজাতি-বহুধর্মের মানুষের দেশ তাই নাগরিকদের মধ্যে ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ গৃহীত হয়েছে। এই অধিকারের দ্বারা তা হল প্রত্যেক ব্যক্তির বিবেকের স্বাধীণতা এবং ধর্মপালন ও প্রচারের স্বাধীনতা আছে, কোনো বিশেষ ধর্ম প্রসারের জন্য কোনো ব্যক্তিকে করদানে বাধ্য করা যাবে না, এছাড়া কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া যাবে না।
  
(৫) সংস্কৃতি ও শিক্ষা বিষয়ক অধিকার [২৯-৩০ নং ধারা] :: 
শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক অধিকার বলতে সকল শ্রেণীর নাগরিকের নিজস্ব ভাষা, লিপি ও সংস্কৃতির বিকাশ ও সংরক্ষণ করতে পারবে ,ধর্ম বা জাতি বা ভাষা কোনো অজুহাতেই কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না ও ধর্ম অথবা ভাষাভিত্তিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলি নিজেদের পছন্দমতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পরিচালনা করতে পারবে।
    
(৬) সাংবিধানিক প্রতিবিধানের অধিকার [৩২ ও ২২৬নং ধারা] ::
ভারতীয় নাগরিকদের মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য সুপ্রিমকোর্ট ও হাইকোর্টের কাছে আবেদন করতে পারে।এই অধিকারগুলো কার্যকর করার জন্য সুপ্রিমকোর্ট ও হাইকোর্ট বিভিন্ন লেখ (writ) জারি করতে পারে, যথা- হেবিয়াস কর্পাস, ম‍্যাণ্ডামাস, সারশিওরারি, প্রহিবিশান ও কুয়ো-ওয়ারান্টো।

Saturday, 23 July 2022

July 23, 2022

ভারতে বেকারত্ব বৃদ্ধির কারণগুলি আলােচনা করাে।

ভারতে বেকারত্ব বৃদ্ধির কারণগুলি আলােচনা করাে। | ভারতে বেকারত্বের বৃদ্ধির কারণ

ভারতে বেকারত্ব বৃদ্ধির কারণগুলি আলােচনা করাে।
ভারতে বেকারত্ব বৃদ্ধির কারণগুলি আলােচনা করাে।
✍️ কলম 
সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আজকের পোস্টে ভারতে বেকারত্ব বৃদ্ধির কারণগুলি আলােচনা করলাম। যেটির মধ্যে খুব সুন্দরভাবে ভারতে বেকারত্বের বৃদ্ধির কারণগুলি আলোচনা করা আছে। সুতরাং সময় নষ্ট না করে পোস্টটি ভালো করে দেখে নাও।

■ ভারতে বেকারত্ব বৃদ্ধির কারণ গুলি হল -
সমাজতত্ত্বিক অর্থনীতিবিদ এবং মনস্তাত্ত্বিকগণ ভারতে বেকারত্বের গতি প্রকৃতি অনুশীলনের মাধ্যমে বেকারত্বের হার বৃদ্ধির কতকগুলি গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ কারণ উপস্থাপন করেছেন -

A. অর্থনৈতিক কারণঃ

(i) মূলধনের স্বল্পতা, বিনিয়োগের অভাব এবং উচ্চহারে উৎপাদনঃ
দেশে যথেষ্ট পরিমাণে বিনিয়োগযোগ্য পুঁজির অভাব। শিল্প প্রক্রিয়ার অগ্রগতির বাধা সৃষ্টি করে বেকারত্বের হার বৃদ্ধি করছে। আবার অনেকের মতে, অতি উৎপাদনের ফলে পণ্যের দাম কমে যায়, যা কর্মী সংকোচনকে প্রভাবিত করে। পাশাপাশি কারখানা বন্ধ হয়ে যায়, যা বেকারত্বের হার বৃদ্ধি করছে।

(ii) সীমিত জমিঃ
গ্রামের অধিকাংশরাই কৃষিজমির উপর নির্ভরশীল কিন্তু জনসংখ্যার সাপেক্ষে জমি সীমিত হওয়ার কারণে বেকারত্বের সংখ্যা বেড়েছে।

(iii) কৃষির ঋতুধর্মিতাঃ
কৃষিই গ্রামের একমাত্র নিয়োগ ক্ষেত্র, কিন্তু ঋতুধর্মিতার কারণে নির্দিষ্ট ঋতুতে নিয়োগ সংক্রান্ত সুযোগ থাকলেও অন্যান্য সময়ে তা থাকে না।
     
(iv) কৃষি সহায়ক শিল্পের অভাবঃ
গ্রামাঞ্চলে কৃষির পাশাপাশি সহায়ক শিল্প না থাকায় অকৃষি মরশুমে বহুজন বেকার হয়ে পড়ে।
   
(v) পশ্চাৎপদ কৃষি পদ্ধতিঃ
মান্ধাতা আমলের কৃষি পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে কৃষি উৎপাদন অলাভজনক হওয়ায় পরিবারের সন্তান সন্ততীরা যথার্থ শিক্ষাগ্রহনে ব্যর্থ হয়। যা বেকারত্বকে প্রভাবিত করে।
   
(vi) উপযুক্ত নিয়োগ পরিকল্পনার অভাবঃ
সরকারের নিয়োগ পদ্ধতি জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস‍্যপূর্ণ নয়। অন্যভাবে বলা যায় যে, দেশের আর্থিক উন্নয়নের হার শ্লথগত সম্পন্ন হওয়ায় বেকারত্বমূলক পরিস্থিতির মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে।

B. সামাজিক কারণঃ

(i) দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধিঃ
ইউরোপ এবং আমেরিকাতে শিল্পোন্নতি এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির মধ্যে ভারসাম্য থাকলেও ভারতের ক্ষেত্রে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে কাজের সুযোগ সৃষ্টি এবং বৃদ্ধি ঘটছে না।
    
(ii) ভৌগলিক অসচ্ছলতাঃ
যেমন- 
(a) দূরবর্তী স্থানে গিয়ে কর্মী নিযুক্ত হওয়ার মানসিকতার অভাব। 
(b) যোগাযোগ এবং পরিবহন ব্যবস্থার অভাব। 
(c) ভাষাগত সমস্যা। 
(d) যা হারে কর্মসম্পর্কিত যথার্থ তথ্যের অভাব এবং পারিবারিক দায়িত্ব পালনের জন্য একটি অঞ্চলের উদ্ধুত্ত শ্রমশক্তি ভৌগলিক অভাবে বেকারত্বের হার বৃদ্ধি করছে।
    
(ii) দারিদ্রতাঃ
দারিদ্রতার সাথে বেকারত্ব ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। বিশেষত অধিবাসীদের মধ্যে দারিদ্রতার কারণে বেকারত্বের হার বেশি।
   
(iii) সামাজিক বা কর্মগত মর্যাদা অবনমনের আশঙ্খাঃ
কিছু কিছু ব্যক্তি মনে করেন যে, বিশেষ কিছু কাজে যুক্ত হলে মর্যাদাগত অবক্ষয় ঘটবে তাই সেই সমস্ত কাজে যোগদানের তুলনায় বেকারত্বকেই বরণ করে। যেমন- কিছু কিছু শিক্ষিত যুবক I.S বা I. P. S বা মহাবিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার বেশি মর্যাদা বলে বিবেচনা করে সেলসম্যান এবং ক্লার্কের চাকুরীকে নিম্নমানের মর্যাদা বলে গণ্য করে।

C. শিক্ষাগত কারণঃ
  
(i) ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থাপনা অতীতকালীন শিক্ষাব্যবস্থা বর্তমানের পক্ষে উদ্দেশ্যেপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে না তথা জীবনের সাথে শিক্ষার সামঞ্জস্যর অভাব ঘটছে, যেটা মূলত ডিগ্রি অভিমুখী- বৃত্তিমুখী নয়। উচ্চশিক্ষার উপর জোর দেওয়ার ফলে বেকারত্বের এবং অর্ধবেকারত্বের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
   
(ii) অযৌক্তিক উচ্চাকাঙ্খাঃ
উচ্চশিক্ষিতদের উচ্চাকাঙ্খা বাস্তবে ভেঙে চুরমার হওয়ায় বেকারত্বকেই মেনে নেয়।
    
(iii) যৌথ পরিবারঃ
যৌথ পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তার কারণে শিক্ষিতরা পছন্দমত কাজ না পেলে বেকার জীবনযাপন করে।
    
(iv) কায়িক শ্রমের প্রতি অনীহাঃ
শিক্ষিত ব্যক্তিরাও শারীরিক শ্রমসাধ্য কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণে অনাগ্রহী হয়ে সাদাকোর্টের কর্মে যুক্ত হওয়ার আগ্রহের কারণে বেকারত্বের হার বৃদ্ধি পায়।

D.ব্যক্তিগত কারণ:
   
(i) কর্ম অভিজ্ঞতার অভাবঃ
বহু কর্ম অনুসন্ধানকারী ব্যক্তির কর্মদক্ষতার অভাব বেকারত্বের হার বৃদ্ধির একটি অন্যতম কারণ।
   
(ii) বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের অভাবঃ
প্রযুক্তিগত এবং পেশামুলক শিক্ষার অভাব এবং এই ধরণের শিক্ষাগ্রহণের প্রবণতার অভাব ও প্রশিক্ষনতাকেন্দ্রর অভাবে বেকারত্বের হারের বৃদ্ধি ঘটে।
    
(iii) অল্প বয়স এবং চাকুরী খোঁজার ব্যাপারে অনভিজ্ঞতা।
    
(iv) শারীরিক অসমর্থ‍্যতা এবং অসুস্থতার মতো ব্যক্তিগত কারণগুলি কর্মক্ষেত্রে অসমর্থ‍্যতা সৃষ্টি করছে যা বেকারত্বের হার বৃদ্ধি করে।

E. বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তিগত উপাদানঃ
আধুনিক কালে উৎপাদন প্রক্রিয়াগুলিতে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের ব্যবহার কর্মক্ষেত্রে কর্মীসংকোচনকে প্রভাবিত করে বেকারত্বের হার বৃদ্ধি করছে।

Monday, 18 July 2022

July 18, 2022

শ্রীনিকেতন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা করো।

শ্রীনিকেতন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা করো।

শ্রীনিকেতন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা করো।
শ্রীনিকেতন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা করো।
 
✍️ কলম 
সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আজকের পোস্টে শ্রীনিকেতন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা করলাম। নীচে খুব সুন্দরভাবে পয়েন্ট অনুযায়ী শ্রীনিকেতন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনা করা আছে। সুতরাং সময় অপচয় না করে পোস্টটি ভালো করে দেখে নাও।
 
শ্রীনিকেতন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও ভূমিকা সম্পর্কে আলোচনাঃ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিক্ষাচিন্তার বাস্তব প্রয়োগ যেমন ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে তেমনি তাঁর শিক্ষা চিন্তার আরও একটি অন্যতম দিক হল পল্লী উন্নয়ন মূলক কর্মসূচি। কারণ তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, ভারতবর্ষের সার্বিক উন্নয়ন ঘটাতে গেলে সর্বাগ্রে গ্রাম বাংলার মানুষের জীবনের মানোন্নয়ন ঘটাতে হবে।এই উদ্দেশ্যে তাঁর এই ভাবনার বহিঃ প্রকাশ ঘটে ১৯২২ খ্রীষ্টাব্দের ৬ই ফেব্রুয়ারি শান্তিনিকেতন থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে 'সুরুল' গ্রামে 'শ্রীনিকেতন' নামে একটি প্রতিষ্ঠান গঠনের মাধ্যমে। গ্রামীণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ও জীবনোপযোগী শিক্ষা প্রদান করাই ছিল শ্রীনিকেতন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য। এই জন্য তিনি ১৯২৪ খ্রীস্টাব্দে 'শ্রীনিকেতন শিক্ষাসত্র' নামে একটি গ্রামীণ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে কুঠির শিল্প, হস্ত শিল্প,বয়স্ক শিক্ষা-পল্লীজীবনের উন্নয়নের উপর যথেষ্ট গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছিল।
 
শ্রীনিকেতন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যঃ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্রীনিকেতন প্রতিষ্ঠার মূলে ছিল পল্লী জীবনের উন্নয়ন ঘটানো। কারণ তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, দেশের সার্বিক উন্নয়ন ঘটাতে গেলে গ্রামীণ মানুষ্য জীবনের মানোন্নয়ন ঘটানো সর্বাগ্রে প্রয়োজন। তিনি যে সমস্ত উদ্দেশ্য সামনে রেখে শ্রীনিকেতন প্রতিষ্ঠা করেন, সেগুলি হল-

(১) পল্লীজীবনের উন্নয়ন সাধনঃ
রবীন্দ্রনাথের শ্রীনিকেতন প্রতিষ্ঠার একটি অন্যতম উদ্দেশ্যই ছিল পল্লীজীবনের উন্নয়ন ঘটানো। গ্রামীণ মানুষের জীবনের সমস্যা গুলির সমাধানের মধ্য দিয়ে গ্রাম বাংলার মানুষের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ন ঘটানোই ছিল শ্রীনিকেতন প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য।
     
(২) স্বনির্ভরশীল করে তোলাঃ
হাতে কলমে বাস্তব জীবনোপযোগী শিক্ষা প্রদান করার মধ্য দিয়ে গ্রাম বাংলার শিক্ষার্থীদের স্বনির্ভরশীল করে তোলাও শ্রীনিকেতন প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য।
    
(৩) ব্যবহারিক শিক্ষা প্রদানঃ
গ্রাম্য জীবনের উপযোগী ব্যবহারিক শিক্ষা প্রদান করাও ছিল শ্রীনিকেতন প্রতিষ্ঠার একটি উদ্দেশ্য। এই জনক শ্রীনিকেতনে শিক্ষার্থীদের কৃষি,পশুপালন,তাঁতের কজ,মৌমাছি প্রতিপালন ইত্যাদি বিষয়ে ব্যবহারিক শিক্ষা প্রদান করা হত।
   
(৪) গ্রামীণ উন্নয়নমূলক স্বাস্থ্যরক্ষা কর্মসূচিঃ
গ্রামীণ মানুষের স্বাস্থ্য সচেতনতা বিভিন্ন ধরণের স্বাস্থ্য রক্ষা কর্মসূচির আয়োজন করাও ছিল শ্রীনিকেতনের একটি অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য, যা গ্রামীণ মানুষের কল্যাণের স্বার্থে কাজ করবে।

পল্লী উন্নয়নে শ্রীনিকেতনের ভূমিকাঃ
পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে শ্রীনিকেতনের ভূমিকা সম্বন্ধে নিম্নে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হল-   
 
(১) গ্রামীন উন্নয়নঃ
পল্লী অঞ্চলের মানুষের নানাবিধ সমস্যা সমাধানে মধ্য দিয়ে এবং তাদের নানা চাহিদা পুরনের মধ্য দিয়ে গ্রাম্য জীবনে মানুষের জীবনযাত্রার মানের সার্বিক উন্নয়ন ঘটানো শ্রীনিকেতনের একটি বিশেষ কাজ।
 
(২) কৃষির উন্নয়ন সাধনঃ
গ্রাম বাংলার মানুষের জীবন জীবিকার অন্যতম উৎস হল কৃষি। তাই নানা ধরনের গবেষণা মূলক কাজের মধ্যে দিয়ে কৃষির উন্নয়ন ঘটানো শ্রীনিকেতন একটি অন্যতম প্রধান কাজ। এছাড়াও নানান ধরনের হস্ত শিল্পের শিক্ষাদানের ব্যবস্থাও করা ।
 
(৩) শিক্ষাঃ
পল্লী ও গ্রামাঞ্চলের মানুষের জীবনের মানোন্নয়ন ঘটানোর  জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন সকলের জন্য উপযুক্ত শিক্ষার ব্যবস্থা করা। এই জন্য পল্লী অঞ্চলের ছেলেমেয়েদের শিক্ষাদানের পাশাপাশি বয়স্ক শিক্ষার ব্যবস্থা করাও শ্রীনিকেতন অন্যতম একটি প্রধান কাজ।
   
(৪) স্বাস্থ্যরক্ষা কর্মসূচিঃ
গ্রাম বাংলার মানুষের জীবনকে  সুন্দর ও স্বাস্থ্য সম্মত করে তোলার জন্য নানা ধরনের স্বাস্থ্য রক্ষা কর্মসূচিও ছিল শ্রীনিকেতনের অন্যতম প্রধান গুরুদায়িত্ব।

(৫) সহযোগিতা প্রদানঃ
গ্রামীণ মানুষের নানা সমস্যা সমাধানে এবং তাদের জীবন যাত্রার মানোন্নয়ন ঘটানোর জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া শ্রীনিকেতনের অন্যতম একটি গুরু দ্বায়িত্ব।

(৬) মেধা অন্বেষণ সংস্থাঃ
গ্রামবাংলার মেধাবী শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করে তাদের উপযুক্ত শিক্ষা পরিকাঠামোর ব্যবস্থা করার জন্য শ্রীনিকেতন 'মেধা অন্বেষণ সংস্থা'র ব্যবস্থা করা।
           
সুতরাং উপরোক্ত আলোচনার ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে যে, পল্লী তথা গ্রাম জীবনের উন্নয়নে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত শ্রীনিকেতনের অবদান উল্লেখযোগ্য।

Thursday, 14 July 2022

July 14, 2022

আরামবাগ থেকে হাওড়া পর্যন্ত স্টেশনের নামের তালিকা | Arambagh to Howrah Station Name

আরামবাগ থেকে হাওড়া পর্যন্ত স্টেশনের নামের তালিকা | Arambagh to Howrah Station Name in Bengali

আরামবাগ থেকে হাওড়া পর্যন্ত স্টেশনের নামের তালিকা | Arambagh to Howrah Station Name
আরামবাগ থেকে হাওড়া পর্যন্ত স্টেশনের নামের তালিকা
✍️ কলম 
সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আজ আরামবাগ থেকে হাওড়া পর্যন্ত স্টেশনের নামের তালিকা -টি শেয়ার করলাম। যেটির মধ্যে আরামবাগ টু হাওড়া পর্যন্ত সমস্ত স্টেশনের নাম দেওয়া আছে। আরামবাগ থেকে হাওড়া পর্যন্ত মোট ২৫টি স্টেশন আছে, স্টেশনগুলির নাম নীচে তালিকার মধ্যে দেওয়া হল - 
 
তারকেশ্বর থেকে হাওড়া পর্যন্ত স্টেশনের নাম

নং স্টেশনের নাম
০১ আরামবাগ
০২ মায়াপুর
০৩ তকিপুর হল্ট
০৪ তালপুর
০৫ তারকেশ্বর
০৬ লোকনাথ
০৭ বাহিরখন্ড
০৮ কৈকালা
০৯ হরিপাল
১০ মালিয়া হল্ট
১১ নালিকুল
১২ কামারকুণ্ডু
১৩ সিঙ্গুর
১৪ নসিবপুর
১৫ দিয়ারা
১৬ শেওড়াফুলি
১৭ শ্রীরামপুর
১৮ রিষড়া
১৯ কোন্নগর
২০ হিন্দ মোটর
২১ উত্তরপাড়া
২২ বালি
২৩ বেলুড়
২৪ লিলুয়া
২৫ হাওড়া

 

■ আরো দেখুনঃ তারকেশ্বর টু হাওড়া স্টেশনের নামের তালিকা

July 14, 2022

তারকেশ্বর থেকে হাওড়া পর্যন্ত স্টেশনের নামের তালিকা | Tarakeswar to Howrah Station Name

তারকেশ্বর থেকে হাওড়া পর্যন্ত স্টেশনের নামের তালিকা | Tarakeswar to Howrah Station Name in Bengali

তারকেশ্বর থেকে হাওড়া পর্যন্ত স্টেশনের নামের তালিকা | Tarakeswar to Howrah Station Name
তারকেশ্বর থেকে হাওড়া পর্যন্ত স্টেশনের নামের তালিকা

✍️ কলম 
সুপ্রিয় বন্ধুরা,
আজ তারকেশ্বর থেকে হাওড়া পর্যন্ত স্টেশনের নামের তালিকা -টি শেয়ার করলাম। যেটির মধ্যে তারকেশ্বর টু হাওড়া পর্যন্ত সমস্ত স্টেশনের নাম দেওয়া আছে। তারকেশ্বর থেকে হাওড়া পর্যন্ত মোট ২১টি স্টেশন আছে, স্টেশনগুলির নাম নীচে তালিকার মধ্যে দেওয়া হল - 
 
তারকেশ্বর থেকে হাওড়া পর্যন্ত স্টেশনের নাম

নং স্টেশনের নাম
০১ তারকেশ্বর
০২ লোকনাথ
০৩ বাহিরখন্ড
০৪ কৈকালা
০৫ হরিপাল
০৬ মালিয়া হল্ট
০৭ নালিকুল
০৮ কামারকুণ্ডু
০৯ সিঙ্গুর
১০ নসিবপুর
১১ দিয়ারা
১২ শেওড়াফুলি
১৩ শ্রীরামপুর
১৪ রিষড়া
১৫ কোন্নগর
১৬ হিন্দ মোটর
১৭ উত্তরপাড়া
১৮ বালি
১৯ বেলুড়
২০ লিলুয়া
২১ হাওড়া

 

■ আরো দেখুনঃ আরামবাগ টু হাওড়া স্টেশনের নামের তালিকা